01726542993 nytabd24@gmail.com শনি–বৃহ: সকাল ৯টা – রাত ৯টা

সাকসেস স্টোরি

আমাদের শিক্ষার্থীদের সফলতার গল্প — আপনিও হতে পারেন পরবর্তী সফল ব্যক্তি

রাকিব হাসান

ওয়েব ডেভেলপার
★★★★★

"কোর্স শেষ করার ৩ মাসের মধ্যেই আমি একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে জব পেয়েছি। প্র্যাকটিক্যাল প্রজেক্টগুলো আমাকে অনেক এগিয়ে রেখেছে।"

ফারহানা আক্তার

গ্রাফিক ডিজাইনার
★★★★★

"ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছি এই প্ল্যাটফর্মের কোর্স থেকে শিখে। এখন প্রতি মাসে ভালো ইনকাম করছি।"

সাদিয়া ইসলাম

ডিজিটাল মার্কেটার
★★★★★

"ইন্সট্রাক্টরদের গাইডলাইন আর লাইভ ক্লাস আমার ক্যারিয়ার বদলে দিয়েছে। এখন নিজের এজেন্সি চালাচ্ছি।"

তানভীর আহমেদ

নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার
★★★★★

"টেকনিক্যাল কোর্সের গভীরতা অসাধারণ। সার্টিফিকেটটি আমার চাকরির ইন্টারভিউতে বড় ভূমিকা রেখেছে।"

নুসরাত জাহান

ইংরেজি ল্যাংগুয়েজ টিচার
★★★★★

"ল্যাংগুয়েজ লার্নিং কোর্স করে আমার কমিউনিকেশন স্কিল অনেক উন্নত হয়েছে। এখন আমি নিজেই পড়াই।"

মাহিন চৌধুরী

ফ্রিল্যান্স ডেভেলপার
★★★★★

"কমিউনিটি সাপোর্ট আর মেন্টরশিপ ছিল দারুণ। শূন্য থেকে শুরু করে আজ আমি স্বাবলম্বী।"

সৈয়দ ইয়াসিন আরাফাত

ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার অফিস ম্যানেজমেন্ট
★★★★★

"🌟 সাফল্যের গল্প: সৈয়দ ইয়াসিন আরাফাত নাম: সৈয়দ ইয়াসিন আরাফাত কোর্স: Diploma in Computer Office Management (DCOM) “দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজের ভবিষ্যৎকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছি।” কম্পিউটার সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা থাকলেও অফিসিয়াল কাজের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল সৈয়দ ইয়াসিন আরাফাতের। ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা থেকেই তিনি ভর্তি হন Diploma in Computer Office Management (DCOM) কোর্সে। প্রশিক্ষণের শুরুতে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, ডকুমেন্ট তৈরি, ডাটা এন্ট্রি ও অফিসের দৈনন্দিন কাজগুলো তার কাছে কিছুটা কঠিন মনে হলেও নিয়মিত অনুশীলন ও প্রশিক্ষকদের সহযোগিতায় ধীরে ধীরে তিনি দক্ষ হয়ে ওঠেন। কোর্সের মাধ্যমে তিনি MS Word, MS Excel, PowerPoint, অফিস ডকুমেন্টেশন, ডাটা ম্যানেজমেন্ট, ইন্টারনেট ও ই-মেইল ব্যবহারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অফিসিয়াল কম্পিউটার স্কিল অর্জন করেন। আজ তিনি আগের তুলনায় অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। কম্পিউটারভিত্তিক অফিসের কাজ করার সক্ষমতা ও বাস্তবমুখী দক্ষতা তাকে তার ক্যারিয়ার গড়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে। 🎯 ইয়াসিনের বার্তা “শুধু সার্টিফিকেট নয়, বাস্তব কাজ শেখাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত অনুশীলন থাকলে কম্পিউটার দক্ষতা দিয়ে নিজের ক্যারিয়ারকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।” সৈয়দ ইয়াসিন আরাফাতের মতো আপনিও যদি কম্পিউটার ও অফিস ম্যানেজমেন্টে দক্ষ হয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাহলে আজ থেকেই দক্ষতা অর্জনের যাত্রা শুরু করুন। 💙 NYTA Skilled Development Training Institute দক্ষতাই শক্তি। শিখুন • দক্ষ হোন • নিজের ভবিষ্যৎ গড়ুন"

এমএ পাশ বেকার রহিমের গল্প

বেকার রহিমের গল্প
★★★★★

"এমএ পাশ করেও বেকার রহিম—একটি চাকরির অপেক্ষা থেকে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার গল্প রহিমের বয়স ২৮ বছর। মেধাবী ছাত্র ছিল সে। ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল—ভালোভাবে পড়াশোনা করবে, একটি সম্মানজনক চাকরি করবে, পরিবারের দায়িত্ব নেবে এবং একদিন বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফুটাবে। পরিশ্রম করে সে এমএ পাশ করল। পরিবারের সবাই ভেবেছিল, এবার হয়তো রহিমের জীবনের কঠিন সময় শেষ হবে। মা আত্মীয়দের বলতেন, “আমার ছেলে এমএ পাশ করেছে। এবার একটা ভালো চাকরি পাবে।” কিন্তু বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। একটি চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেখলেই রহিম আবেদন করত। কখনো ব্যাংক, কখনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, কখনো এনজিও, আবার কখনো সরকারি চাকরির প্রস্তুতি। একটি চাকরির জন্য শত শত, কখনো হাজার হাজার প্রার্থী। দিনের পর দিন আবেদন করেও কোনো চাকরি হলো না। সকালে ঘুম থেকে উঠে মোবাইল হাতে নিয়ে চাকরির বিজ্ঞপ্তি খোঁজা, আবেদন করা, পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া—এভাবেই তার দিন কাটতে লাগল। কখনো পরীক্ষায় লিখিত হলো, কিন্তু ভাইভায় বাদ। কখনো ভাইভা পর্যন্ত গেল, কিন্তু নিয়োগ হলো অন্য কারও। একসময় রহিমের আত্মবিশ্বাস কমতে শুরু করল। বন্ধুরা কেউ চাকরি পেল, কেউ ব্যবসা শুরু করল, কেউ বিদেশে চলে গেল। আর রহিম? সে তখনও অপেক্ষা করছে— “একদিন না একদিন একটা চাকরি হবেই।” কিন্তু সেই “একদিন” আর আসছিল না। এক রাতে মা এসে বললেন, — “বাবা, এত মন খারাপ করে থাকিস কেন?” রহিম কোনো উত্তর দিল না। মা আবার বললেন, — “তুই তো অনেক পড়াশোনা করেছিস। তুই কি পারবি না কিছু করতে?” এই কথাটি রহিমের মনে গভীরভাবে আঘাত করল। সে সেদিন অনেকক্ষণ ভাবল। “আমি এমএ পাশ করেছি। কিন্তু শুধু একটি সার্টিফিকেট কি আমাকে সফল করবে?” “আমি কি শুধু চাকরির জন্যই তৈরি হয়েছি?” “আমি কি নতুন কোনো দক্ষতা শিখতে পারি না?” “আমি কি নিজের জন্য কোনো কাজ তৈরি করতে পারি না?” পরদিন রহিম সিদ্ধান্ত নিল— সে আর শুধু চাকরির অপেক্ষা করবে না। সে বুঝতে পারল, বর্তমান সময়ে শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন দক্ষতা, বাস্তব জ্ঞান, যোগাযোগ দক্ষতা, প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষমতা এবং নিজের কাজকে কাজে লাগানোর মানসিকতা। রহিম একটি দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলো। প্রথমে তার ভয় লাগছিল। “এতদিন পড়াশোনা করেছি, আবার নতুন করে শিখব?” কিন্তু সে নিজেকে বলল, “শেখার কোনো বয়স নেই। বরং নতুন কিছু শেখার সাহসটাই আমার নতুন শুরু।” সে কম্পিউটার, ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ইংরেজিতে যোগাযোগ, ফ্রিল্যান্সিং এবং অনলাইন কাজ সম্পর্কে শিখতে শুরু করল। প্রথম মাসে খুব বেশি কিছু বুঝতে পারল না। দ্বিতীয় মাসে ছোট ছোট কাজ করতে শুরু করল। তৃতীয় মাসে নিজের তৈরি কাজ অন্যদের দেখাতে শুরু করল। চতুর্থ মাসে একটি ছোট ব্যবসার জন্য অনলাইনে কাজ পেল। পারিশ্রমিক খুব বেশি ছিল না। কিন্তু টাকা পাওয়ার চেয়ে বড় বিষয় ছিল— রহিম বুঝতে পারল, সে পারবে। সেদিন রাতে মায়ের হাতে নিজের প্রথম উপার্জনের টাকা দিয়ে রহিম বলল, “মা, এটা আমার প্রথম আয়।” মায়ের চোখে পানি চলে এলো। তিনি বললেন, “আমি জানতাম, আমার ছেলে একদিন কিছু একটা করবেই।” রহিমের জীবন রাতারাতি বদলে যায়নি। কিন্তু তার চিন্তা বদলে গিয়েছিল। আর চিন্তা বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে বদলে যেতে শুরু করেছিল তার ভবিষ্যৎ। রহিমের গল্প থেকে তরুণদের জন্য শিক্ষা আজ আমাদের সমাজে অনেক রহিম আছে। কেউ অনার্স পাশ করেছে, কেউ মাস্টার্স পাশ করেছে, কেউ ডিপ্লোমা করেছে—কিন্তু চাকরি পাচ্ছে না। অনেকে বছরের পর বছর শুধু চাকরির পেছনে ছুটছে। চাকরি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চাকরি না পাওয়া মানেই জীবন শেষ নয়। বরং তখন নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে— “আমার কী দক্ষতা আছে?” “আমি নতুন কী শিখতে পারি?” “আমার জ্ঞানকে কীভাবে কাজে লাগাতে পারি?” “আমি কি চাকরিপ্রার্থী হওয়ার পাশাপাশি দক্ষতাসম্পন্ন মানুষ হতে পারি?” একটি সার্টিফিকেট আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারে। কিন্তু আপনার দক্ষতা আপনাকে কাজের যোগ্য করে তোলে। তাই তরুণদের উচিত— শুধু চাকরির বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষায় না থাকা। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী নতুন দক্ষতা শেখা। কম্পিউটার ও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়া। ইংরেজিতে যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ানো। বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করা। ফ্রিল্যান্সিং ও অনলাইন কাজ সম্পর্কে জানা। উদ্যোক্তা হওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনা করা। নিজের একটি শক্তিশালী পোর্টফোলিও তৈরি করা। প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় নিজের দক্ষতা উন্নয়নে ব্যয় করা। তরুণদের প্রতি NYTA Skilled-এর বার্তা প্রিয় তরুণ, আপনি হয়তো আজ বেকার। হয়তো অনেক জায়গায় আবেদন করে ব্যর্থ হয়েছেন। হয়তো আপনার বন্ধুরা এগিয়ে গেছে আর আপনি মনে করছেন আপনি পিছিয়ে পড়েছেন। কিন্তু মনে রাখবেন— ব্যর্থতা আপনার পরিচয় নয়। আপনার বর্তমান অবস্থাই আপনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না। আপনার হাতে এখনও সবচেয়ে মূল্যবান একটি জিনিস আছে— সময়। এই সময়টাকে হতাশায় নষ্ট করবেন, নাকি দক্ষতা অর্জনে বিনিয়োগ করবেন—সিদ্ধান্তটা আপনার। চাকরির জন্য অপেক্ষা করার পাশাপাশি নিজেকে এমনভাবে তৈরি করুন, যেন সুযোগ এলে আপনি প্রস্তুত থাকেন। আর সুযোগ না এলেও যেন আপনি নিজের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারেন। কারণ ভবিষ্যৎ শুধু তাদের জন্য নয় যারা সুযোগের অপেক্ষা করে; ভবিষ্যৎ তাদের জন্যও, যারা নিজেদের দক্ষতা দিয়ে সুযোগ তৈরি করতে শেখে। NYTA Skilled-এর আহ্বান দক্ষতাই শক্তি। আজকের শেখা একটি দক্ষতা হয়তো আগামী দিনের আপনার ক্যারিয়ার বদলে দিতে পারে। তাই হতাশ হবেন না। শুরু করুন। শিখুন। অনুশীলন করুন। নিজেকে তৈরি করুন। আপনার ভবিষ্যৎ আপনার হাতেই। NYTA Skilled দক্ষতাই শক্তি"

মো: মহিব রেজা

Diploma in Computer Office Management
★★★★★

"আমি নিটা স্কিল্ড এ ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার অফিস ম্যানেজমেন্ট কোর্স করছি মাত্র ১ মাস হয়েছে, আমি এখন অফিসিয়াল সকল কাজ করতে সক্ষম। কারণ এখানে সপ্তাহে ৫দিন ক্লাস করতে হয়, আমি গত ১ মাসে কোর্সের প্রায় ৬০ % সমাপ্ত করতে পেরেছি, বাকী ৪০ % কয়েক দিনের মধ্যে শেষ করতে পারবো ইনশআল্লাহ। আমি ভর্তি হয়েছি নিটা স্কিল্ডে , আপনিও ভর্তি হতে পারেন নিটা স্কিল্ডে, আমি সাপোর্ট পাচ্ছি, আপনিও পাবেন।"

আপনিও শুরু করুন আপনার সফলতার যাত্রা

কোর্স দেখুন